Writer : Abul Fazl
Edited By : NA
Compiled By : NA
Translated By : Subir Kumar Pal
Publishers : Ananda Publishers Pvt Ltd (ABP)
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Essays>Translated Foreign Essays
- Publication Year : 2026
- ISBN No : 978-93-54258-64-0
- Binding : Card Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 792
- Weight : 1175 gms
- Height x Width x Depth : 9.5x6.5x02 Inch
If so, it will be notified
About the Book
‘আইন-ই-আকবরি’ মূলত ‘আকবরনামা’ গ্রন্থের অংশ, এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ।
মুঘল বাদশাহ আকবরের নির্দেশানুযায়ী তাঁর অন্যতম সুহৃদ তথা বিশ্বস্ত আধিকারিক আবুল ফজল অগুনতি নথি এবং তথ্যের সহায়তা নিয়ে এই সুবিশাল গ্রন্থ রচনা করেন। আকবরের সমসাময়িক ইতিহাস চর্চার জন্য ‘আইন-ই-আকবরি’র বিকল্প নেই। এটি বাদশাহ আকবরের প্রশাসনের গেজেটিয়ার। কীভাবে প্রশাসন পরিচালনা করতে হয় এই গ্রন্থ যেন তার সুস্পষ্ট নির্দেশিকা।
মুঘল প্রশাসন সম্পর্কিত যে কোনও প্রশ্নের উত্তর পাঠক এখানে পাবেন। বিভিন্ন রকম আকবরি মুদ্রা, সিলমোহর, সিলমোহরের শ্রেণিবিভাগ, ফরমানে সিলমোহর মারবার রীতি, সোনা ও রুপো নিষ্কাশন পদ্ধতি, প্রভৃতি ‘আইন-ই-আকবরি’র প্রথম খণ্ডে আছে। প্রথম খণ্ডের নব্বইটি অধ্যায়ে আরও আকর্ষণীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। বাদশাহের ওজন উৎসব, চিতা শিকার ও চিতা পোষ মানানোর পদ্ধতি, তাদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার, ঘরে ও বাইরে বাদশাহের বিনোদনের একাধিক খেলা, প্রায় পঞ্চাশ রকম পায়রার নাম, চল্লিশ রকম বাদশাহি খাবারের রেসিপি, কয়েক শত দ্রব্যের বাজারদর প্রভৃতি প্রথম অংশে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদশাহি হারেম সম্পর্কে প্রচলিত একাধিক ভ্রান্ত ধারণা পাঠক এই গ্রন্থ অনুশীলনের মাধ্যমে দূর করতে পারবেন।
বাদশাহ আকবর কেন ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করেছিলেন, তাঁর প্রবর্তিত দীন ই ইলাহি ধর্মের মূল নীতি এবং ওই ধর্মের দলিল প্রণেতাদের নাম, দরবারের বিখ্যাত পণ্ডিত, কবি ও সাহিত্যিক, দার্শনিক সহ চারশত পনেরো জন মনসবদারদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা এই খণ্ডে আছে। রয়েছে বিখ্যাত কবি ফৈজি সহ একাধিক কবির একগুচ্ছ কবিতার বঙ্গানুবাদ।
- সত্যিই কি আকবর নিরক্ষর ছিলেন?
- অথচ ‘আইন-ই-আকবরি’র এই খণ্ডে তাঁর একাধিক শিক্ষকের নাম পাওয়া যায়, তেরো বছর চার মাস বয়সে কিশোর বাদশাহের অভিভাবক হয়ে চার বছর প্রশাসন পরিচালনা করেন ধুরন্ধর বৈরাম খাঁ, কীভাবে শেষ পর্যন্ত আকবর বৈরাম খাঁর কবল থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছিলেন?
- বৈরাম খাঁ কীভাবে নিহত হন?
- এই হত্যার পিছনে কি আকবরের প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় ছিল?
- পুত্র শাহজাদা সেলিমের সঙ্গে আকবরের মধ্যে মতানৈক্যের কারণ কী ছিল?
- শুধুমাত্র মসনদ প্রাপ্তি, নাকি কোনও নারী অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছিল?
- নূরজাহানের প্রথম স্বামী শের আফগান হত্যার পিছনে কি সেলিম তথা জাহাঙ্গিরের মদত ছিল?
এই রকম শত শত প্রশ্নের উত্তর মিলবে ‘আইন-ই-আকবরি’র প্রথম খণ্ডে। গবেষক, ছাত্রছাত্রী, ইতিহাসপ্রিয় সাধারণ পাঠকের কাছে এই গ্রন্থ সব দিক দিয়েই তুলনাহীন। এই সুবিশাল গ্রন্থ লেখা আরম্ভ হয় ১৫৮৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে। আকবরের রাজত্বের ৪২তম বর্ষে (১৫৯৮ খ্রি.) আবুল ফজল আইন-ই-আকবরি লেখা শেষ করেন।
প্রকৃতপক্ষে আকবরনামা গ্রন্থের শেষাংশ আইন-ই-আকবরি, প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় হেনরি ব্লকম্যান পাঠকের সামনে সুন্দররূপে বিষয়টি পরিবেশন করেছেন। বইটি লেখা হয়েছিল ফারসিতে, ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে গ্লাডউইন প্রথমে এর একটি সংক্ষিপ্তরূপ নিয়ে অনুবাদ করেছিলেন, পরে হেনরি ব্লকম্যান প্রথম দুটি খণ্ড অনুবাদ করবার পর মারা যান, তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করেন কর্ণেল জারেট। ব্লকম্যানের অনুবাদ এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল প্রথম প্রকাশ করেন ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে, কর্নেল জারেটের অনুবাদ করা গ্রন্থ প্রথম বের হয় ১৮৯৩-'৯৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। তিনি কাজটি আরম্ভ করেন ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে আচার্য্য যদুনাথ সরকারের সম্পাদনায় ব্লকম্যান ও জারেট অনূদিত আইন-ই-আকবরি নতুন আঙ্গিকে ছাপা হয়। সুবীরকুমার পাল তিনটি খণ্ডের সুবিশাল এই গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ আরম্ভ করেন ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে, শেষ করেন পাঁচ বছর পর।
সুবীরকুমার পালঃ
মৌলিক রচনা এবং ঐতিহাসিক আকর গ্রন্থের অনুবাদক হিসাবে প.ব. ভূমি সংস্কার বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক সুবীরকুমার পাল একটি সুপরিচিত নাম। সরকারি উচ্চ পদে কর্মরত থেকেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবার পাশাপাশি তিনি নিরলসভাবে ইতিহাস চর্চা করেছেন, বর্তমানে একটি কর্পোরেট সংস্থায় উপদেষ্টা রূপে কর্মরত আছেন। বিজ্ঞানের ছাত্র হলেও ইতিহাসের প্রতি বিশেষ আগ্রহ তাঁর লেখা মৌলিক এবং অনুবাদ গ্রন্থগুলিতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
