Writer : Rahul Sankrityayana
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Essays>Religious & Mythological Criticism
- Publication Year : 2025
- ISBN No : 978-93-81858-64-6
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 112
- Weight : 225 gms
- Height x Width x Depth : 07x05x0.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
বৌদ্ধ ধর্মের জন্ম হয় ভারতে, খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে। পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে বুদ্ধদেব এই ধর্ম সমগ্র ভারতব্যাপী প্রচার করেছিলেন। বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণের সোয়া দুইশত বছর পর সম্রাট অশোক এই ধর্মকে বিশ্ব জুড়ে প্রচার করেন। বৌদ্ধ ধর্মের বার্তা পৌঁছয় গ্রিস, মিশর, সিরিয়া, মধ্য এশিয়া, চীন, দক্ষিণে শ্রীলঙ্কা এবং বার্মা ও শ্যামদেশ পর্যন্ত। এ পর্বকে বলা হয় ধর্মের স্বর্ণযুগ। এ সময় মহৎ চিন্তাবিদদের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন প্রান্ত থেকে আধ্যাত্মিক জ্ঞান দীপ্তির জন্য বুদ্ধিজীবীরা এ দেশে পাঠ নিতে আসেন। হাজার হাজার বছর ধরে ভাস্কর্য শিল্প ও চিত্রকলায় গুহা মঠ মন্দির ভরে ওঠে। সেই ধর্ম সাতশত বছর আগে মাতৃভূমি থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেল। রাহুল সাংকৃত্যায়ন সেই পতনের কারণগুলি অন্বেষণ করেছেন এই গ্রন্থকণিকায়। দেখিয়েছেন শুধুই ইসলাম আক্রমণ নয়, বৌদ্ধ ধর্মের পতনের বীজ নিহিত ছিল তার শিকড়ে, ধর্মীয় ব্যাভিচারে, নৈতিক স্খলনে।
রাহুল সাংকৃত্যায়ন (১৮৯৩-১৯৬৩):
জন্ম উত্তরপ্রদেশের আজমগড় জেলার এক অজ গ্রামে। পরিবারদত্ত নাম কেদারনাথ পাণ্ডে। ১৯১২-১৩ সালে বৈষ্ণব সাধুসঙ্গ গ্রহণ। নাম হয় রামোদর দাস। ১৯১৯ সালে আর্যসমাজে প্রবেশ। ১৯৩০ সালে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ।
উপসম্পদা নিলেন। নাম হয় রাহুল সাংকৃত্যায়ন। প্রথাগত স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা তাঁর ছিল না। তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত, বহুভাষাবিদ। ১৯৩৯ সালের ১৯ অক্টোবর কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। রাহুল ছুটন্ত ঘোড়ার মতো বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটেছেন। এই পরিক্রমার ফসল তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত। তাঁর রচনার বিষষয় পরিধি ব্যাপ্ত। দর্শন, সাহিত্য, জীবনীগ্রন্থ, ভ্রমণকাহিনি, মার্কসীয় তত্ত্ব ইত্যাদি। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা বৌদ্ধ দর্শন সাম্যবাদ কী, দর্শন দিগদর্শন (২ খণ্ডে) বৈজ্ঞানিক বস্তুবাদ, রামরাজ্য ও মার্কসবাদ, লেনিন স্টালিন মাও সে তুং। 'ভোল্লা থেকে গঙ্গা' তাঁর প্রবাদপ্রতিম ধ্রুপদী রচনা। ১৯৬৩-র ১৪ এপ্রিলে এই ছুটন্ত অশ্বের পদধ্বনি চিরকালের মতো স্তব্ধ হয়ে যায়।
সায়ন্তনী ভট্টাচার্য:
জন্ম ১৯৮৫ সাল নভেম্বরে, কলকাতায়। আগাগোড়া মেধাবী ছাত্রী। স্কুল-শিক্ষা ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে, ভারতীয় বিদ্যাভরন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে। বর্তমানে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাঙ্গালী বৌদ্ধ লোকজীবন নিয়ে গবেষণায় রত। অধ্যাপনা সূত্রে একটি কলেজের সঙ্গে যুক্ত। নেশা গান শোনা, বই পড়া।
