Writer : Various/Multiple Writers
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Essays>Archaeological & Historical Facts
- Publication Year : 2022
- ISBN No : NA
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 217
- Weight : 450 gms
- Height x Width x Depth : 8.5x5.5x0.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন - বেথুন নামটি ফরাসি বা ফ্লেমিশ। উত্তর ফ্রান্সে 'বেথুন' বলে একটি শহর আছে। জন ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুনের পূর্বপুরুষেরা এখান থেকেই স্কটল্যাণ্ডের ফিফ কাউন্টির (County Fife) বালফোর (Balfour)-এ গিয়ে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের পারিবারিক আদর্শবাণী ছিল 'De bon aire'-এই ফরাসি শব্দগুচ্ছের ইংরাজি অর্থ 'of good root-stock' বা of 'good family'। বেথুন কলেজের প্রথম পত্রিকা 'উষা'র ১৯১৮ সালের মার্চ সংখ্যায় অধ্যক্ষা মিস্ এ. এস. জেনো এর অর্থ করেছেন 'noble' বা মহৎ।
এই মহৎ পরিবারে জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন জন্মান ১৮০১ সালে স্যালফোর্ড শহরে। পিতা কর্নেল জন ড্রিঙ্কওয়াটার ও মাতা ইলিনরের জ্যেষ্ঠপুত্র জন ছিলেন কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে শিক্ষাপ্রাপ্ত এবং সম্মানিত র্যাংলার পদপ্রাপ্ত। তিনি অঙ্ক, বিজ্ঞান ও আইনে বিশেষ ব্যুৎপত্তি লাভ করেন। গ্রীক, ল্যাটিন, জার্মান, ফরাসি ও ইতালীয় ভাষায় তাঁর ছিল পারদর্শিতা। তিনি ছিলেন সাহিত্যপ্রেমী ও কবি। ইংরাজ সরকার তাঁর আইন জ্ঞানে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে গভর্নর-জেনারেলের আইনসচিব নিযুক্ত করে ১৮৪৮ সালে ভারতবর্ষে পাঠান। পদাধিকার বলে তিনি হন ইংরাজ সরকারের শিক্ষা পরিষদের সভাপতি। এই পদে থাকার ফলে এদেশে নারীশিক্ষার সমস্যাটি তিনি অনুধাবন করার সুযোগ পান। শোনা যায় মাতৃভক্ত বেথুন ভারতীয় নারীর শিক্ষার জন্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেরণা পেয়েছিলেন মা ইলিনরের কাছ থেকে।
এদেশে এসে বেথুন তাঁর স্বভাবসুলভ সদাশয়তায় এদেশের মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে গিয়ে অত্যন্ত ব্যথিত চিত্তে লক্ষ্য করলেন এদেশের স্ত্রীজাতির দুর্দশা। যে সামাজিক প্রেক্ষাপটে তিনি নারীশিক্ষা বিষয়ে আগ্রহী হলেন সেটি ছিল আত্মপ্রত্যয়ী ভাবনা ও সংস্কারবদ্ধ শক্তির মধ্যে সংঘাতসংকুল সময়। তখন রাজা রামমোহন রায়ের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ১৮২৯ সালে আইন করে নিষিদ্ধ হয়েছে নৃশংস সতীদাহ প্রথা, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহ আইনানুগ করার জন্য চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। সেইসঙ্গে বাল্যবিবাহ ও পুরুষের বহুবিবাহ বন্ধ করার বিষয়েও তিনি বক্তব্য প্রকাশ করছেন। এই হিন্দুসমাজেরই কিছু নব্যযুবক ডিরোজিও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ইয়ংবেঙ্গল ছাত্রগোষ্ঠী গঠন করেছেন।
- Published by: Bethune School Authority
- Mkt By: D M Library
