Welcome to Dorlink
Selected Books
×
Matir Mandira

Writer : Debraj Debnath

Edited By : NA

Compiled By : NA

Translated By : NA

Publishers : Ekalavya Publishing

  • Shipping Time : 10 Days
  • Policy : Return/Cancellation?

    You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
    Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.

    Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
    Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info.

  • Genre : Essays>Archaeological & Historical Facts
  • Publication Year : 2025
  • ISBN No : 978-81-98352-55-2
  • Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
  • Pages : 165
  • Weight : 465 gms
  • Height x Width x Depth : 09x06x01 Inch
MRP : ₹360.00/- Discount : 15% Off
Your Price : ₹306.00/-
MRP is subject to change as per edition/impression by the publisher.
If so, it will be notified

About the Book

মাটির মন্দিরা নির্দিষ্টভাবে কোনো লোকবাদ্যের বই না। বইটির উপশিরোনাম দেখেও ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই। এ মনে করবার কোনও কারণ নেই যে এটি নিছক শুকনো সাংবাদিকতাই হবে, রোমান্টিক অনুশীলন বলতে পারম্পর্য-রহিত বা কার্যকারণশূন্য কোনো phenomenon বা চমক বোঝাতে চাইছি না। বাংলায় লোকসংস্কৃতিচর্চা আকস্মিকভাবে শুরু হয়নি। গোড়া থেকে স্বাধীনতাপূর্ব সময়কালের প্রতিজন লোকসংস্কৃতিচর্চাকারীকে বিশেষভাবে দেখবার চেষ্টা রয়েছে এখানে, তার সাথে এ সন্ধানও আছে যাতে এর থেকে এক সাধারণ লক্ষণও পাওয়া যায়। বিশেষ ও সাধারণ-দুইয়ের ওপরেই নজর থেকেছে।

লোকসংস্কৃতি নিয়ে চর্চা করতে গিয়ে অন্তত তিন রকমের ভূমিকা পালন করতে হয়। এক, সাহিত্যানুসন্ধানী হিসাবে, দুই, আরেকটু ব্যাপক অর্থে সংস্কৃতি বিজ্ঞানের উৎসাহী হিসাবে, তিন, ইতিহাসের গবেষক হিসাবে।

লোকসংস্কৃতিচর্চা হল লোকসংস্কৃতি নিয়ে বিদ্যাজনিত চর্চা। তবে তার মাঝে যে লোকসংস্কৃতির অনুশীলন অনুপস্থিত থাকবে আগাগোড়া এমনটাও না। প্রথমেই বলে রাখা ভালো, বইটির উপশিরোনামেই লুকিয়ে আছে এই এর সবথেকে সীমাবদ্ধতার দিকটিও। সেটা কী? স্বাধীনতা দিয়ে লোকসংস্কৃতিচর্চার ইতিহাসের কালকে বিভাজিত করা চলে না। গেলেও তাতে অধুনার প্রবণতা ধরা পড়ে না। আলোচনার পরিধিতে যদি সমকাল অবধি জেলা বা শহর কলকাতা-সংলগ্ন অংশে লোকসংস্কৃতি নিয়ে চর্চা করছেন তাদের না আনা যায় তবে খণ্ডদৃষ্টির শিকার হব ঠিকই। সুধীর চক্রবর্তী, পল্লব সেনগুপ্ত, মানস মজুমদার, পবিত্র সরকার, দিব্যজ্যোতি মজুমদার, অনন্যা বড়ুয়া, বরুণকুমার চক্রবর্তী, সুজিতকুমার মণ্ডল, মহাশ্বেতা দেবী, অচিন্ত্য বিশ্বাস প্রমুখ যারা যারাই এ নিয়ে কাজ করেছেন, কিম্বা কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, জেলাগুলোর লোকসংস্কৃতি কেন্দ্রগুলির উদ্যোগগুলোকে, ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার নিরিখে না দেখলে নিশ্চিতভাবেই গোটা ছবিটাকে দেখে উঠতে পারা যায় না।

তবে এই সীমাবদ্ধতাকে স্বীকার করে নিয়েই বইটিতে মুখ্যত চোখ রেখেছি কলোনির যেই আলোবাতাসে লোকসংস্কৃতি চর্চা বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে সেই সময়কালে। কারা শুরু করছে এই চর্চা, কারা পৃষ্ঠপোষক এই চর্চায়, লোকসংস্কৃতিচর্চা বলতেই বা কী বোঝা হচ্ছে এই সময়ে। কেন এই চর্চা শুরু হল। কীভাবে তা ক্রমশ একটা বিদ্যায়তনিক শৃঙ্খল বা academic discipline হয়ে উঠল। এই হয়ে ওঠায় কতটা লাভ হল লোকসংস্কৃতিচর্চার, আর কতটাই বা নিছক দায়সারা কাজেরা প্রশ্রয় পেল। এই চর্চায় ক্রমশ কোন অংশের লোকেরা সামিল হচ্ছে। এমনকি লোকসংস্কৃতি নিয়ে পরিবর্তমান ধারণাগুলোও আলোচনায় স্থান পেয়েছে। সার্বিকভাবে এটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য থেকেছে।