Writer : No Name/Unknown
Edited By : Swami Sarbeshwarananda Saraswati
Compiled By : NA
Translated By : NA
Publishers : Nababharat Publishers
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Spirituality>Hinduism (Tantra/Aghori)
- Publication Year : 2010
- ISBN No : NA
- Binding : Paste Board (Hard)
- Pages : 415
- Weight : 550 gms
- Height x Width x Depth : 8.5x06x01 Inch
If so, it will be notified
About the Book
যোগিনী তন্ত্রম্ প্রাচীন ভারতীয় তন্ত্রসাহিত্যের এক গূঢ়, বিস্তৃত ও মহামূল্যবান শাস্ত্র, যেখানে শিব-শক্তি তত্ত্ব, সাধনপদ্ধতি এবং মানবজীবনের ঐহিক ও পারত্রিক কল্যাণের গভীর রহস্য প্রশ্নোত্তরমূলক আঙ্গিকে উন্মোচিত হয়েছে। ভগবান শিব ও দেবী পার্বতী-র সংলাপের মাধ্যমে এই গ্রন্থে সৃষ্টি, প্রলয়, দেবতা-উপাসনা, মন্ত্রনির্ণয়, যন্ত্রতত্ত্ব, ধ্যানযোগ, পুরশ্চরণ, আচারবিধি এবং মানবজীবনের আধ্যাত্মিক উত্তরণের বিভিন্ন দিক বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে এই তন্ত্রগ্রন্থটি কামরূপ অঞ্চলে (বর্তমান অসম ও পার্শ্ববর্তী এলাকা) মধ্যযুগে সংকলিত বলে মানা হয় এবং এতে বিশেষভাবে কামাখ্যা ও মহাশক্তির উপাসনার প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
এই গ্রন্থে তন্ত্রকে কেবল আচারনির্ভর শাস্ত্র হিসেবে নয়, বরং একটি সর্বাঙ্গীন জীবনদর্শন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে জগৎকে মিথ্যা নয় বরং চৈতন্যময় সত্যের বহুমাত্রিক প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়। এখানে পরমশক্তি সর্বত্র বিরাজমান—প্রত্যেক রূপে, প্রত্যেক সত্তায় এবং প্রত্যেক অভিজ্ঞতায়; ফলে সাধনার চূড়ান্ত লক্ষ্য হয়ে ওঠে সর্ববস্তুতে সেই মহাশক্তির উপলব্ধি। গ্রন্থে সৃষ্টিতত্ত্ব, প্রতিসর্গ, দেবতাসংস্থান, তীর্থবর্ণন, আশ্রমধর্ম, দানধর্ম, রাজধর্ম, যোগসাধনা, আধ্যাত্মিক তত্ত্ব এবং মানবদেহের অন্তর্গত শক্তিচক্রের বিশ্লেষণ সুসংগঠিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।
বিশেষভাবে “যোগিনী” তত্ত্ব এই গ্রন্থের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে, যেখানে যোগিনীরা মহাশক্তির বহুবিধ রূপ হিসেবে প্রতিভাত হন এবং সাধকের চেতনার বিকাশে সহায়ক শক্তিরূপে বিবেচিত। এই সাধনার মাধ্যমে অন্তর্নিহিত শক্তির জাগরণ, চৈতন্যের উৎকর্ষ এবং মুক্তির অভিজ্ঞতা লাভের কথা বর্ণিত হয়েছে। তন্ত্রমতে সংসার ত্যাগ নয়, বরং সংসারের মধ্যেই ঈশ্বরের লীলাময় প্রকাশকে অনুভব করাই প্রকৃত সাধনা; দেহ, মন ও প্রাণের সমন্বয়ে এই সাধনপথে অগ্রসর হয়ে সাধক সর্বত্র দেবীস্বরূপ চৈতন্যকে প্রত্যক্ষ করতে সক্ষম হন।
বর্তমান সংস্করণটি বিভিন্ন প্রাচীন পুঁথি, আঞ্চলিক মুদ্রিত পাঠ এবং হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সংকলিত ও সম্পাদিত, যেখানে মূল পাঠের সঙ্গে বঙ্গানুবাদ, পাঠান্তর ও টীকা সংযোজনের মাধ্যমে পাঠকদের জন্য বিষয়বস্তু সহজবোধ্য করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি, *যোগিনী তন্ত্রম্* তন্ত্রসাধক, শাক্তভক্ত এবং আধ্যাত্মিক অন্বেষীদের জন্য এক অনন্য দিশারী, যা শাস্ত্রনির্দেশিত গুরুপদিষ্ট সাধনার মাধ্যমে আত্মোপলব্ধির পথে অগ্রসর হতে সহায়তা করে এবং মহাশক্তির সর্বব্যাপী সত্যকে উপলব্ধির দিকে সাধককে পরিচালিত করে।
