Writer : Ashit Paul
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Art & Culture>Commercial Arts
- Publication Year : 2024
- ISBN No : 978-93-54250-16-3
- Binding : Card Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 416
- Weight : 1167 gms
- Height x Width x Depth : 9.5x7.5x01 Inch
If so, it will be notified
About the Book
বটতলার ছবি নিয়ে কিছু আলোচনা ইতিমধ্যে বেশকিছু বিদগ্ধ ইতিহাসকাররা করে গেছেন। আমার সম্পাদিত ‘Woodcut Prints of 19th Century Calcutta’ প্রকাশ পেয়েছিল ১৯৮৩ সালে, প্রায় সঁাইত্রিশ বছর আগে। এত বছর বাদে এই বই প্রকাশ করার প্রাথমিক উদ্দেশ্য, এত বছরে আরও বহু অনুসন্ধানে অনেক নতুন তথ্য ও ছবি যেমন জানা গেছে তেমনই মনে হয়েছে বটতলার কাঠখোদাই শিল্পীরা আর বটতলা বন্ধনীতে কেন থাকবেন তাঁরা ক্রমশই কলকাতারও সমপরিচয়ের দাবিদার। তাঁদের গড়ে দেওয়া ভিত্তিভূমিতে ভবিষ্যতে অনেকেই এসে তাঁদের শিল্পের প্রকাশ করেছেন।
ধীরে ধীরে তাঁরা কালের গর্ভে হারিয়ে গেলেও তাঁদের শিল্প অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে ভবিষ্যতের শিল্পীদের। সারা পৃথিবীর শিল্প চিত্রে ভারতের আধুনিক শিল্পীদের করা গ্রাফিক আর্ট-এর সমাদর ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আবার পৃথিবীর অন্যপ্রান্তের আধুনিক শিল্পীদের কাছে আমাদের বটতলার ছবিও তাঁদের অনুপ্রাণিত করে। বটতলার যে ধারা স্বশিক্ষিত শিল্পীদের হাতে গড়ে ওঠে তারপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিত শিল্পীরা সেই ধারাকেই ক্রমাগত পরিবর্তনে রূপ দিতে চেষ্টা করলেন তাঁদের মতো যা সেই রস থেকে থেকেই অভাব মনে হয়েছে। কিন্তু বিশ শতকের প্রথমার্ধে আবার একদল আধুনিক শিল্পীর হাত ধরে বিশ্ব মানচিত্রে গ্রাফিক আর্ট হিসেবে মান্যতা পেল। বইতে প্রায় দেড়শো বছরের দীর্ঘ পরিসরে স্বশিক্ষিত ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষিত শিল্পীদের কাজ নিয়ে আলোচনা করা হল।
______________
অসিত পাল-এর জন্ম ১৫ জুন, ১৯৫০। শৈশব কাটে কলেজ স্ট্রিট পাড়া সহ উত্তর কলকাতা ঘিরে। সরকারি আর্ট কলেজ থেকে শিক্ষা নিয়ে আনন্দবাজার সংস্থার সঙ্গে দীর্ঘ ৩০ বছর কর্মজীবন কাটান। বটতলার শিল্প নিয়ে দীর্ঘ সময় যাবৎ গবেষণাধর্মী কাজ করেছেন। ১৯৮৩ সালে তাঁর সম্পাদিত উনিশ শতকের কলকাতার কাঠখোদাই তাঁকে সারা বিশ্বে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে। দ্বিতীয় বই ‘উনিশ শতকের কাঠখোদাই শিল্পী প্রিয়গোপাল দাস’ও এক উল্লেখযোগ্য গবেষণাধর্মী বই।
ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ললিত কলা অ্যাকাডেমির হয়ে দু’বছর ধরে এক উল্লেখযোগ্য কাজ শেষ করেছেন ২০১৫-তে। ভারতের শিল্প বিবর্তনের কেন্দ্রভূমি চিৎপুরের বহুবিধ শিল্পধারার তথ্য সন্ধান করে চিত্রসহ তথ্য এক জায়গায় এনেছেন ভবিষ্যতের গবেষকদের জন্যে। লেখা ও চিত্রচর্চা একই সঙ্গে করতে ভালবাসেন। দেশে ও বিদেশে অনেক একক যৌথ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন। শিল্পশিবিরে তাঁর উপস্থিতি যেমন থাকে, শিল্প নিয়ে বহু আলোচনার মুখ্য বক্তা হিসেবেও থাকেন। অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস-এর সহ সভাপতি হিসেবে, ললিত কলা অ্যাকাডেমির সর্বভারতীয় সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উনিশ শতকের কাঠখোদাই ও লিথো ছবি নিয়ে প্রদর্শনী কিউরেট করেছেন দিল্লি ও কলকাতায়।
