Writer : Arpita Sarkar
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Literature>Thriller (Crime & Detective)
- Publication Year : 2026
- ISBN No : NA
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 208
- Weight : 420 gms
- Height x Width x Depth : 8.5x5.5x0.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
পলাশের রঙ আর রক্তের রঙের শুধু মিল রয়ে গেল। সেনপাহাড়ির জঙ্গলে খুন হয়ে গেল দোলা রায় নামের একজন প্রফেসর।
মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা সেনপাহাড়ির ফরেস্টের মধ্যে মধ্যরাতে আবিষ্কৃত হল প্রফেসর দোলা রায়ের মৃতদেহ। ফরেস্টের গার্ড শিবুচরণ ঠিক কী দেখেছিল সেদিন রাতে? দোলা রায়ের রেপিস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে তার প্রাক্তন প্রেমিক বিতান সেনকে। মিডিয়ার হেডলাইনে একটাই নাম, বিতান সেন। সাংবাদিক সোনাঝুরি দাশগুপ্ত হাঁটলেন স্রোতের বিপরীতে। তারপর?
সোনাঝুরি এই বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র এবং একটি মেয়ের খুন এবং ধর্ষণ কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে । ঘটনা প্রবাহ জঙ্গলমহল এলাকা তে এবং সঙ্গে প্রশাসন এবং পুলিশ এর সম্পর্ক তো আছেই। গল্পের শেষ আশাব্যঞ্জক তবে সাম্প্রতিক কালের বেশ কিছু ঘটনার শেষ এত আশাব্যঞ্জক হলে আমাদের সমাজটাই হয়তো বদলে যেত।
এটা শুধু একটা থ্রিলার নয়। এই গল্পের ভেতরে আছে আমাদের চারপাশের চেনা বাস্তবতা। ভুল তথ্য, ভ্রান্ত ধারণা, মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ার তৈরি করা হাইপ; যেগুলো ধীরে ধীরে আমাদের বিচারবোধকে ভোঁতা করে দেয়, আর অনেক সময় ঘটনাকে কারোর ইচ্ছেমতো ঘুরিয়ে দেয়, এই দিকটা লেখিকা ম্যাডাম খুব শান্ত কিন্তু দৃঢ় ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে আছে সামাজিক অবক্ষয়ের ভেতরেও ভারসাম্য ধরে রাখার একটা চেষ্টা। সোনাঝুরি আর নৈবেদ্যের সম্পর্ক; অভিমান, ভালোবাসা, পারস্পরিক সম্মান আর বিশ্বাস; সব মিলিয়ে একটা নতুন আশার জায়গা তৈরি করে।
আবার বিতান আর তমসার ভালোবাসা, একে অপরের পাশে দাঁড়ানো, সমাজের বিপরীতে গিয়েও বিপদের সময় হাত বাড়িয়ে দেওয়া—এই সম্পর্কগুলো আলাদা করে ছুঁয়ে যায়। রাজেন্দ্রানি ম্যাডাম, রুক্মিনি কিংবা সেই অনামী চরিত্রগুলোর লড়াই অত্যাচারিত, নিপীড়িত মানুষদের সাহস জোগায়। শিবুচরণের চরিত্রটা দেখায়; সিস্টেমের ভেতরে থেকেও কীভাবে লড়াই করা যায়, কীভাবে নীরবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যায়। একজন পিতা হিসেবে সামাজিক দায়িত্ববোধের জায়গাটাও খুব সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। বিতানের পরিস্থিতি তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।
এই বইয়ের ভেতরে সামাজিক, রাজনৈতিক, ন্যায়-অন্যায়, প্রেম-ভালোবাসা-অভিমান, মমতা, শিক্ষা আর প্রশাসনিক অবক্ষয় ও বৈষম্যের এক গভীর মিশেল আছে। সঙ্গে আছে মিডিয়া আর সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো-মন্দ দুই দিকই। সব মিলিয়ে এটা একেবারে আজকের দিনের বাস্তব সামাজিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে লেখা গল্প। আমার মনে হয়, এই জায়গা থেকেই “রক্ত পলাশের বনে” লগ্নজিতা সিরিজকে শেয়ানে-শেয়ানে টক্কর দেয়। আর ভবিষ্যতে যদি সোনাঝুরি আর নৈবেদ্যের সম্পর্কটাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, সেই গল্পও নিশ্চয়ই পাঠকদের একইভাবে টানবে—ঠিক যেমন লগ্নজিতা আর কৌশিকের গল্প আমাদের টেনেছে, এখনও টানছে।
“আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন—কতদিন আমিও তোমাকে খুঁজি নাকো;
এক নক্ষত্রের নিচে তবু—একই আলো পৃথিবীর পারে আমরা দুজনে আছি;
পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়, প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়……” আর বেশি বললে ইন্টারেস্ট নষ্ট হয়ে যাবে।
