Writer : Samaresh Basu (Kalkut)
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Literature>Anthology/Compilation
- Publication Year : 2025
- ISBN No : 9789354259920
- Binding : Card Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 1044
- Weight : 1450 gms
- Height x Width x Depth : 9.5x6.5x03 Inch
If so, it will be notified
About the Book
কালকূট শব্দের অর্থ তীব্র বিষ। হলাহল। বিষে জর্জরিত এক লেখক অমৃতের খোঁজে কলম ধরবেন এতে আর আশ্চর্য কী! ‘দেশ’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ‘অমৃত কুম্ভের সন্ধানে’ প্রকাশিত হবার পর থেকেই বিখ্যাত হতে শুরু করেন কালকূট। কিন্তু কে এই কালকূট? নতুন লেখক না কোনও পরিচিত লেখকের ছদ্মনাম? অবশেষে বাংলা সাহিত্যপ্রেমী পাঠক জেনে যায়, কালকূট সমরেশ বসুরই ছদ্মনাম। ‘গাহে অচিন পাখি’ রচনায় বিষয়টি সম্পর্কে অনেকটাই লিখেছেন তিনি।
১৯৫২ সালে ভারত জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় সাধারণ নির্বাচন। উত্তর ২৪ পরগনার চটকল এলাকার বাঙালি-অবাঙালিদের মধ্যে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই সময় শুরু হয় তুমুল সংঘর্ষ। সেই ১৯৫২ সালে ‘কালকূট’ ছদ্মনামের জন্ম। নেহাতই তাৎক্ষণিক একটি রচনার প্রয়োজনে। সেই রচনাটির কথা আজ কারও হয়তো মনে নেই। রাজনৈতিক রচনা ছিল সেটি। সাময়িক প্রয়োজন মিটিয়েছিল। এই সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে লেখা শুরু করলেন কালকূট। একাধিক গল্প ও উপন্যাস লিখে ফেলেছেন সমরেশ। ততদিনে ছোটগল্পকার সমরেশ ও ঔপন্যাসিক সমরেশ — দুই সত্তা বেশ পরিচিতি পেয়েছে পাঠকমহলে। তবুও তাঁকে ছদ্মনামে লিখতে হয়েছিল বাম মতাদর্শের রাজনৈতিক কর্মী হবার কারণে। লিখে ফেললেন ‘ভোটদর্পণ’ (১৯৫২)। কালকূট ছদ্মনামে এটাই প্রথম লেখা, এটাই তাঁর প্রথম ও একমাত্র রাজনৈতিক রচনা।
‘আদাব’ (১৯৪৬) দিয়ে শুরু করলেও কালকূট অমৃত কুম্ভের সন্ধান পেয়েছিলেন ১৯৫৪ সালে। ‘কালকূট’ নামটি বাংলা সাহিত্যে চিরকালীন নাম হয়ে উঠল আরও দু-বছর বাদে। যখন ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে’ প্রকাশিত হল। লেখক কালকূটের জন্ম সেই ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে’ই। প্রকৃতপক্ষে প্রয়াগের কুম্ভ মেলায় সমরেশ বসু আবিষ্কার করেছিলেন কালকূটকে। ‘ভোটদর্পণ’ রচনার মধ্যে দিয়ে কালকূট ছদ্মনামের উদ্ভব হলেও তা প্রতিষ্ঠা পায় প্রয়াগে, ‘অমৃত কুম্ভের সন্ধানে’ উপন্যাসের মাধ্যমে। কালকূট আর সমরেশ বসু একই ব্যক্তি হলেও মনে কিন্তু তাঁরা ভিন্ন। ‘কালকূটের চোখে সমরেশ বসু’ (১৯৮১) রচনায় তিনি লিখেছেন, ‘…ওকে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি। অথচ আমার দিকে ও ফিরে তাকায় না। আমার প্রবাহটা ও অনুভব করে না। তার কারণ, ওর বেগটা এতই প্রবল যে আমার দিকে ফিরে তাকাবার ওর অবকাশ নেই।’
অমৃতকুম্ভের সন্ধানে যে-যাত্রার শুরু সেই যাত্রা আজও অব্যাহত। কালকূটের নিজের ভাষায় বলতে গেলে, ‘পুরাণ আর ইতিহাসের স্মৃতি, আর সারা ভারতের মানুষ, তাদের ভাষা পোশাক খাদ্য আর নানান ধর্মীয় আচরণ। মনে হচ্ছে আমি যুগ থেকে যুগান্তের এক লীলাক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে আছি। এই রূপের মধ্যে আমার চোখে ভেসে উঠছে, হাজার হাজার বছর আগের নানান ঘটনা। যেন এক আবছায়ায় আমি সবাইকে দেখতে পাচ্ছি। ’ এই দেখা কালকূটের রচনার মধ্য দিয়ে এক মহাদর্শনে পরিণত।
