Writer : Prafulla Roy
- Shipping Time : 7 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Literature>Novels & Novellas
- Publication Year : 2021
- ISBN No : 978-81-8437-242-7
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 350
- Weight : 615 gms
- Height x Width x Depth : 9.6x6.5x1 Inch
If so, it will be notified
About the Book
'কেয়াপাতার নৌকো' ও 'শতধারায় বয়ে যায়'-র পরবর্তী খণ্ড উত্তাল সময়ের ইতিকথা।
কেয়াপাতার নৌকোতে উপন্যাসের মজা ছিল। শতধারায় বয়ে যায়তে সাতচল্লিশের দেশভাগের ফলে মানুষের অভাব, অভিযোগ, যন্ত্রণা ও কষ্টের কথা ছিল। উত্তাল সময়ের ইতিকথাতে আন্দামান নিকোবরের ইতিহাস এবং সাতচল্লিশের দেশভাগের ফলে উদ্বাস্তু মানুষের টিকে থাকার লড়াই।
দেশভাগের পর পূর্ববাংলা (সেই সময়ের পূর্ব-পাকিস্তান) থেকে উৎখাত হয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ চলে আসছিল সীমান্তের এপারে। পশ্চিমবঙ্গ মাঝারি মাপের রাজ্য; তার পক্ষে এত মানুষের চাপ নেওয়া ছিল অসম্ভব। তাই শরণার্থীদের জন্য নেওয়া হল আন্দামান প্রকল্প। বঙ্গোপসাগরের মাঝে দু'শোরও বেশি দ্বীপ নিয়ে যে ভূখণ্ডটি রয়েছে তার বিশাল দুই দ্বীপ দক্ষিণ ও মধ্য আন্দামানে তখন শরণার্থীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছিল।
কিন্তু সেই সময় কয়েকটি রাজনৈতিক দল উদ্বাস্তুদের নিয়ে তুমুল আন্দোলন শুরু করে দেয়, কিছুতেই তাদের আন্দামানে যেতে দেবে না। অন্যদিকে আন্দামান যাতে বাঙালি উদ্বাস্তুদের হাতছাড়া হয়, গোপনে গোপনে তারও চক্রান্ত চলছে। এতসব প্রতিকূলতার মধ্যেও সর্বস্বহারানো মানুষগুলো আন্দামান যাচ্ছিল নিজস্ব একটা বাসভূমির সন্ধানে।
কেয়াপাতার নৌকো এবং তারপর শতধারায় বয়ে যায় দুই খন্ডে উপন্যাসের পাত্র পাত্রী সকলের উপস্থিতি থাকলেও এখানে শুধু বিনয় একজন সাংবাদিক হিসেবে আন্দামানে আসে দেশভাগের পর নতুন যারা বসতি গড়তে এসেছে তাদের জীবন কাহিনী দেখার জন্য। ইতিহাসের এই পটভূমিতে বিনয় 'নতুন ভারত' পত্রিকার সাংবাদিক হয়ে হাজারখানেক উদ্বাস্তুর সাথে প্রথমে 'রস' আইল্যান্ডে এসে নামে। এদের মধ্যে পাঁচশো জন যাবে দক্ষিণ আন্দামানের 'জেফ্রি' পয়েন্টে। বাকি পাঁচশো জন যাবে মধ্য আন্দামানে - 'রস' আর 'পোর্টব্লেয়ার' থেকে সত্তর মাইল দূরে। চকিতের জন্য 'রস' দ্বীপে নিরুদ্দেশ ঝিনুকের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় বিনয়ের। চিরদুঃখী, ধর্ষিতা, অভিমানী ঝিনুক। কিন্তু সে বিনয়ের কাছে ধরা দেয় না, মধ্য আন্দামানের জাহাজে উঠে চলে যায়। বিনয় পাঁচশো উদ্বাস্তুর সাথে চলে আসে জেফ্রি পয়েন্টে। সেখানে নতুন পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়। এলাকাটার তিনদিকে পাহাড় এবং হাজার বছরের গভীর জঙ্গল। জঙ্গলে রয়েছে হিংস্র আদিবাসী জারোয়ারা। বাইরে থেকে কেউ তাদের এলাকায় এলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। মুহূর্মুহু হামলা চালায়। অন্যদিকে সমুদ্র - সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে হাঙর। পূর্ববাংলায় অপরাজেয় মানুষগুলো দেশ হারিয়ে এসে অদম্য সাহসে গড়ে তুলতে থাকে তাদের নতুন বাসভূমি। ধ্বংসস্তূপ থেকে হতে থাকে তাদের উত্থান। এদিকে বিনয় কি পারবে ঝিনুকের কাছে পৌঁছাতে ?
১৯৪৭ এর দেশভাগের পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জনস্রোত সামলাতে না পেরে অনেক বাঙালি পরিবারকে আন্দামান-নিকোবর দীপপুঞ্জে স্থানান্তরিত করেছিল, সেই বাস্তুহারা অভিবাসীদের স্ট্রাগল এই বইতে উঠে এসেছে। একই সাথে এসেছে কুখ্যাত জেল, “কালাপানি” ও তার বন্দীদের কথা, একসময়ের দাগী আসামিদের স্বাভাবিক জীবনে পূনর্বাসনের কথা। সাথে উদ্বাস্তুদের নিয়ে ঘোলাটে রাজনৈতিক পরিস্থিতিরও কিছু আভাস আছে।
