Writer : Atin Bandyopadhyay
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Literature>Novels & Novellas
- Publication Year : 2024
- ISBN No : 81-8437-012-1
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 398
- Weight : 700 gms
- Height x Width x Depth : 9.5x6.5x1.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
দেশভাগ নিয়ে 'নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে' সিরিজের চারটি পর্ব। প্রথম পর্ব 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে', দ্বিতীয় পর্ব 'মানুষের ঘরবাড়ি', তৃতীয় পর্ব 'অলৌকিক জলযান', চতুর্থ পর্ব 'ঈশ্বরের বাগান'।
- কিংবদন্তী তুল্য উপন্যাস 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' সম্পর্কে অগ্রজ সাহিত্যিক বিমল কর লিখেছেন, “অতীনের সেরা লেখা, এর মধ্যে অতীনের সত্তা ডুবে আছে, আমরা যাকে বলি ভর পাওয়া লেখা।”
- “পুতুলনাচের ইতিকথার পর এতটা আর অভিভূত হইনি”, অশোক মিত্র।
- “'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' এই সময়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস”, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়।
- “'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' এই সময়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস”, সমরেশ মজুমদার।
- সমকালের আর এক বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ লিখেছিলেন, “দুই বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যের ঐক্যে বিশ্বাসী বলে আমার জানাতে দ্বিধা নেই যে, অতীনের এই রচনা এযাবৎকালের নজিরের বাইরে। ভাবতে গর্ব অনুভব করছি যে, আমার সমকালে এক তাজা তেজস্বী খাঁটি লেখকের আবির্ভাব ঘটেছে। আজ হয়ত তিনি নিঃসঙ্গ যাত্রী। কিন্তু বিশ্বাস করি, একদা আমাদের বংশধরগণ তাঁর নিঃসঙ্গ যন্ত্রণা অনুভব করে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে তিরস্কার বর্ষণ করবে। 'পথের পাঁচালীর' পর এই হচ্ছে দ্বিতীয় উপন্যাস যা বাংলা সাহিত্যের মূল সুরকে অনুসরণ করেছে।”
পাঠিকা ঝর্ণা নাগ শিবপুর থেকে লিখেছিলেন - 'নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে' পড়ে আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। ঈশ্বরের সৃষ্ট সুন্দর পৃথিবী দেখে মুগ্ধ হয়ে যেমন তার সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে কৌতুক বিস্ময় জাগে এও তেমনি।
এমন অজস্র চিঠি এবং সাহিত্যঋণের কথা স্বীকার করা হয়েছে। অন্য তিনটি পর্ব 'মানুষের ঘরবাড়ি', 'অলৌকিক জলযান' এবং 'ঈশ্বরের বাগান' সম্পর্কেও। বিদগ্ধ এবং গুণী ব্যক্তিরা লিখেছেন, 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' যদি মহৎ উপন্যাস 'অলৌকিক জলযান' তবে মহাকাব্য বিশেষ-আর 'মানুষের ঘরবাড়ি' সোনার কিশোর জীবনের অবিনাশী আখ্যান। শেষ পর্ব 'ঈশ্বরের বাগান'-এতে আছে দেশভাগ জনিত উদ্বাস্তু পরিবারটির সংগ্রামী বিষয়, অভিনব চরিতমালা এবং পটভূমি সহ জীবনের রোমাঞ্চকর অভিযানের লৌকিক-অলৌকিক উপলব্ধি পুষ্ট খণ্ডিত বঙ্গের অখণ্ড বর্ণমালা।
অখণ্ড সংস্করণ প্রকাশ উপলক্ষে কিছু প্রাসঙ্গিক কথা — যেমন ওপরের ছবিটি 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে' রচনার সময়কার অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়। যেমন পাঠকের অবগতির জন্য জানানো দরকার, এই উপন্যাসের প্রস্তুতি পর্বে কিছু পত্রিকায় প্রকাশিত গল্প (প্রসঙ্গ দেশভাগ), যেমন 'মাশুল' (অমৃত), 'হৃদয় একমাত্র বাহক' (দেশ), 'কালনেমি' (দেশ), 'কিংবদন্তির সূর্য' (এক্ষণ) সাপ্তাহিক অমৃতে ধারাবাহিকের শুরুতে পুনমুদ্রিত হয়। যেমন উপন্যাসটি প্রকাশের কিছুকাল পরেই ন্যাশন্যাল বুক ট্রাস্ট বারোটি মূল ভারতীয় ভাষায় বইটির অনুবাদ প্রকাশ করে। অতি সম্প্রতি স্বাধীনতার পঞ্চাশ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে উপন্যাসটির সচিত্র সংক্ষিপ্ত সংস্করণেরও আয়োজন করা হয়েছে। সারা ভারতের গুটিকয় ক্লাসিকস্ এর সঙ্গে বাংলা ভাষায় এটাই একমাত্র সৃষ্টিশীল লেখা যা সর্বভারতীয় সাহিত্যে অনুবাদের মাধ্যমে সুলভ সংস্করণের জন্য নির্বাচিত।
অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম-১৩৩৭। ঢাকা জেলার রাইনাদি গ্রামে।
বাবা-অভিমন্যু বন্দ্যোপাধ্যায়, মা-লাবণ্যপ্রভা দেবী। যৌথ পরিবারে তাঁর শৈশব কৈশোর অতিবাহিত। দেশভাগের পর ছিন্নমূল। এ দেশে এসে প্রবেশিকা পরীক্ষা। কাশিমবাজারের মণীন্দ্র কলোনিতে বাবার ঘরবাড়িতে কিছুকাল থিতু হয়ে থাকা। তারপর যাযাবরের মতই প্রায় কেটেছে যৌবণ। যখন যে কাজ পেয়েছেন সানন্দে গ্রহণ করেছেন। ১৯৫৬ সালে বি. কম. পাশ করেন। বি.টি.ও পাশ করেন। কখনও নাবিকরূপে সারা পৃথিবী পর্যটন। কখনও ট্রাক-ক্লিনার। পরে প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা। প্রধান শিক্ষকও ছিলেন একটি সিনিয়র বেসিক স্কুলের। আবার ঠাঁই বদল, প্রধান শিক্ষকের কাজ ছেড়ে ১৯৬৩ সালে পাকাপাকিভাবে চলে আসেন কলকাতায়। কখনও কারাখানার ম্যানেজার। কখনও প্রকাশনা সংস্থার উপদেষ্টা। শেষে সাংবাদিকতা।
প্রথম গল্প বহরমপুরের 'অবসর' পত্রিকায়। 'সমুদ্রমানুষ' লিখে পান 'মানিক-স্মৃতি পুরস্কার'-১৯৫৮। 'বঙ্কিম পুরস্কার' পান 'দুই ভারতবর্ষ' উপন্যাসের জন্য-১৯৯৮। 'পঞ্চযোগিনী'-র জন্য ১৯৯৩ সালে ভুয়ালকা পুরস্কার। এছাড়া 'বিভূতিভূষণ স্মৃতি পুরস্কার'ও পান ১৯৯১ সালে। 'মতিলাল পুরস্কার', 'তারাশঙ্কর-স্মৃতি পুরস্কার', কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়' এবং 'সুধা পুরস্কারে' ও তিনি সম্মানিত। ২০০১ সালে 'সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার' পান তাঁর 'পঞ্চাশটি গল্পে'র জন্য।
২০০৫ সালে 'শরৎ পুস্কার এবং ২০০৮ সালে আই.আই.পি.এম কর্তৃক প্রবর্তিত 'সুরমা চৌধুরী আন্তর্জাতিক স্মৃতি পুরস্কার' পান 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে-র জন্য। সাম্মানিক মূল্য দশ লক্ষ টাকা। কথিত হয়ে থাকে উপন্যাসটি এই উপমহাদেশের বিবেক।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিঃ নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে, মানুষের ঘরবাড়ি, অলৌকিক জলযান, ঈশ্বরের বাগান, আবাদ, ঝিনুকের নৌকা, দুই ভারতবর্ষ, নগ্ন ঈশ্বর, একটি জলের রেখা, শেষ দৃশ্য, দেবী মহিমা, মানুষের হাহাকার, টুকুনের অসুখ, জীবন মহিমা প্রভৃতি।
