Welcome to Dorlink
Selected Books
×
Sethay Charan Pare Tomar

Edited By : NA

Compiled By : NA

Translated By : NA

Publishers : Hawakal Publisher (Shambhabi - Third Eye Imprints)

  • Shipping Time : 7 Days
  • Policy : Return/Cancellation?

    You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
    Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.

    Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
    Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info.

  • Genre : Literature>Short Story & Micro/Flash Stories
  • Publication Year : 2020
  • ISBN No : 978-93-87883-92-5
  • Binding : Paste Board (Hard)
  • Pages : 2020
  • Weight : 1500 gms
  • Height x Width x Depth : 8.5x5.5x1.5 Inch
MRP : ₹500.00/- Discount : 15% Off
Your Price : ₹425.00/-
MRP is subject to change as per edition/impression by the publisher.
If so, it will be notified

About the Book

অনেক, অনেক দিন আগের কথা। 

প্রায় পাঁচশো বছর হতে চলল বইকী! শ্রীচৈতন্যের নেতৃত্বে বাংলায় ভক্তি আন্দোলনের ভরা জোয়ার। আন্দোলনের ঢেউ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ল গোটা ভারতে। চৈতন্যকে গৌড়িয় বৈষ্ণব সাধকরা অবতার আখ্যা দিলেন। 

  • জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অখণ্ড ভারতকে যিনি হরেকৃষ্ণ নামে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, সেই মহামানবের আপাত দৃশ্যমান অবয়বের ভেতরে লুকিয়ে থাকা আসল মানুষটি আসলে কে ছিলেন? 
  • কী ছিল তাঁর উদ্দেশ্য? 
  • শুধুই কি আধ্যাত্মিক মতবাদের প্রচার না, অন্য কোনো উদ্দেশে নদের নিমাই উড়িষ্যায় আশ্রয় নিয়েছিলেন? 
  • কেন তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে? 
  • অনেকে নিমাইকে হোসেন শাহের চর আখ্যা দিয়েছেন। তিনি কি সত্যিই তাই ছিলেন নাকি গোটা ভারতের হিন্দু রাজাদের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য ভারতের প্রথম রাজনৈতিক সন্ন্যাসী নিমাই গৃহত্যাগ করেছিলেন? 
  • তারপর পুরীতে দীর্ঘ ২৪ বছর বসবাসের পর হঠাৎ তার অন্তর্ধান। কী হয়েছিল সেদিন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের গর্ভগৃহে? 
  • হত্যা না অন্য কিছু? ---------- এসব প্রশ্নের উওর খুঁজে দেখার চেষ্টা এই উপন্যাসে। পাশাপাশি উঠে এসেছে চৈতন্যের বড়োদাদা বিশ্বরূপের অন্তর্ধানের ঘটনা, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ইতিহাস, বৈষ্ণব এবং বৌদ্ধতন্ত্র সহ আরও অনেক কিছু।


কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে আমরা গুপ্তচরের উল্লেখ পাই। সেই যুগে নারীরাও এই বৃত্তির সাথে যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে বিষকন্যাদের কথা লিখেছেন। শৈশব থেকে একদল নারীকে বিষকন্যা রূপে তৈরি করা হত, শুধুমাত্র গুপ্তচর রূপে কাজে লাগানোর জন্য। যে দেশের চরেরা যত বেশি শক্তিশালী। সে দেশ ততো বেশি নিরাপদ, এই ধারণা আজ থেকে হাজার বছর আগে তিনি লিখে গেছেন।


যুগযুগান্ত ধরে এরা বিভিন্ন রূপে নিজেদের কর্তব্য পালন করে চলেছেন। পাঁচশো বছর আগে যখন ইন্টারনেট ছিলো না, তখনও কিন্তু সারা ভারতবর্ষ জুড়ে এদের অদৃশ্য এক নেটওয়ার্ক ছিলো। যাতে সমাজের সব শ্রেণীর মানুষ সমানভাবে যুক্ত ছিলেন। এই বিশাল নেটওয়ার্ক এর কোন একজনের জন্য আরো দশ জনের বিপদের আশঙ্কা থাকে, তবে সেই একজনকে সরিয়ে দেওয়া হতো।


"বাউলকে কহিহ লোকে হৈল বাউল

বাউলকে কহিহ হাটে না বিকায়ে চাউল

বাউলকে কহিহ কাজে নাহিক আউল

বাউলকে কহিহ ইহা কহিয়াছে বাউল"

------- অদ্বৈতাচার্যের এই লেখাটিকে সহজ সরল দৃষ্টিতে দেখে অনেকে তার একটা ব্যাখ্যা দিয়ে দেন। কিন্তু এতো সহজ কিন্তু এর ব্যাখ্যা না। এই লেখাটি সরাসরি শ্রীচৈতন্যের কাছে আসেনি, একজনের মাধ্যমে এসেছিলো। এবং এই বার্তা পাওয়ার পর তাঁর উন্মাদনা আরো বৃদ্ধি পেয়েছিল। ভয়ংকর বিষাদের থেকে উন্মাদনা আসে, যখন মানুষ বুঝে যায় তার সামনে সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে, চক্রব্যূহ থেকে মূক্তির আর কোন উপায় নেই। আরেকটি কারন হতে পারে শরীরে বিষক্রিয়া বৃদ্ধি পাওয়া।


নিজের একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি দিয়ে অনুভব করেছি। ছোটোবেলায় আমাদের বাড়িতে এক বাউল আসতেন। সে রোজ এসে গান শোনাতেন, তারপর যাওয়ার সময় আমার ঠাকুমা তাকে চাল আর আলু দিতেন। রোজ সে গান শোনাতেন আর প্রতিদানে চাল আর আলু পেতেন। আমার ঠাকুমা বলতেন সারা জীবন বাউল গান শুনিয়ে এই চালই তো অর্জন করে। এ তাঁর জীবনের বড় প্রাপ্তি। চালের অর্থ এখানে আমাকে গভীর ভাবে ভাবিয়েছে। খুব সাধারণ ভাবে যার ব্যাখ্যা হয়না। অদ্বৈতাচার্য এবং শ্রী চৈতন্যের মাঝে অনেক গুলি গুটি। ঠিকঠাক বিচার বিবেচনা করতে পারলে অনেক বড় রহস্যের সমাধান হতে পারে।


"সেথায় চরণ পড়ে তোমার" এই উপন্যাসটিতে এইসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।